Description
হাতে ভাজা লাল আউশ চালের মুড়ি তৈরির প্রক্রিয়া
১. চাল নির্বাচন: ভালো মানের লাল আউশ চাল পরিষ্কার করে বেছে নিতে হয়।
২. ভিজানো: চাল ২–৩ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় এবং মাঝে মাঝে পানি বদলানো হয়।
৩. সিদ্ধ করা: ভেজানো চাল অল্প সিদ্ধ করে শুকাতে দেওয়া হয়।
৪. শুকানো: সিদ্ধ চাল রোদে ভালোভাবে শুকানো হয় যাতে আর্দ্রতা না থাকে।
৫. বালি গরম করা: কড়াইতে পরিষ্কার বালি গরম করা হয়।
৬. ভাজা: গরম বালির মধ্যে অল্প অল্প করে চাল দিয়ে দ্রুত নাড়তে হয়। চাল ফুলে মুড়ি হয়ে উঠলে তা আলাদা করা হয়।
৭. বালি ঝাড়া: ছাঁকনি দিয়ে মুড়ি থেকে বালি আলাদা করা হয়।
বৈশিষ্ট্য:
হালকা লালচে রঙের ও মচমচে
প্রাকৃতিক স্বাদ ও সুগন্ধযুক্ত
হাতে ভাজার কারণে তুলনামূলকভাবে বেশি খাস্তা
রাসায়নিকমুক্ত ও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি
উপকারিতা:
সহজপাচ্য ও হালকা খাবার
আঁশযুক্ত হওয়ায় হজমে সহায়ক
দ্রুত শক্তি জোগায়
সকালের নাশতা বা হালকা খাবার হিসেবে উপযোগী
ব্যবহার:
দুধ, দই বা গুড়ের সাথে খাওয়া যায়
চানাচুর, বাদাম, পেঁয়াজ দিয়ে ঝাল মুড়ি তৈরি করা যায়
মোয়া বা অন্যান্য মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহার হয়
ভ্রমণ বা হালকা নাশতায় উপযোগী
সংরক্ষণ পদ্ধতি:
সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়ার পর বায়ুরোধী পাত্রে রাখতে হবে
শুকনো ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে
আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখতে হবে
দীর্ঘদিন রাখতে চাইলে রোদে হালকা গরম করে নেওয়া যায়






Reviews
There are no reviews yet.